চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি যেভাবে নিবেন।

বর্তমানে চাকরির পরীক্ষা গুলো বেশ প্রতিযোগিতা মুলক। তাই নিতে সঠিক প্রস্তুতি। আমাদের সবার একটি কমন প্রশ্ন হল কিভাবে চাকরির প্রস্তুতি নেয়া শুরু করবো? সবার চাকরির প্রস্তুতি নিতে সহায়ক হবে এমন কিছু এমন কিছু টিপস আজকে শেয়ার করবো।আশাকরি আপনাদের কাজে আসবে।

প্রথমে আপনাকে ক্যারিয়ার সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আপনি কোন পেশায় আগ্রহী বা কোন পেশায় ক্যারিয়ার গড়বেন তা ঠিক করা।অনেকেই আছেন শিক্ষাজীবন থাকাকালীন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে,যা সবারই নেয়া উচিত। এই একটা সঠিক সিদ্ধান্ত আপনাকে দূর নিয়ে যাবে। যে কোন পেশার ক্ষেত্রে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য আপনার বেসিক নলেজ ভালো হতে হবে। আপনি যে বিষয়ে ডিগ্রি বা পড়েছেন।

সাধারণত যেকোনো ডিগ্রী আপনাকে চাকরির আবেদন করার সুযোগ করে দিবে কিন্তু চাকরি পাওয়ার জন্য প্রয়োজন সঠিক প্রস্তুতি।

 

কখন চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিবেন:

সাধারণত শিক্ষা জীবন শুরুর দিক থেকে চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া শুরু করা সবচেয়ে ভালো।
তারপরও যাদের প্রস্তুতি নেয়া শুরু করতে দেরি হয়ে গেছে তারাও চাইলে একটি সঠিক পরিকল্পনা করে চাকরির পরীক্ষা প্রস্তুতি নেয়া শুরু করতে পারেন।যত তাড়াতাড়ি শুরু করবেন ততই ভালো, কারণ বেশি সময় পাবেন।

Read  বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ-চাকরির প্রস্তুতি

 

দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির পরিকল্পনা:

চাকরির পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য আপনাকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে,কারণ বর্তমানে চাকরি পেতে হলে আপনাকে অনেকর সাথে প্রতিযোগিতা করে চাকরি পেতে হবে। আপনাকে একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি প্র্যাকটিক্যাল জ্ঞান রাখতে হবে। আর ছোট ছোট টার্গেট নির্ধারণ করে নিয়মিত অনুশীলন করে যেতে হবে।

 

রুটিন তৈরি করা:

আপনাকে একটি রুটিন তৈরি করে সেই অনুযায়ী প্রতিদিন নিয়মিত পড়াশোনা করে যেতে হবে। প্রতিটি সাবজেক্ট এর জন্য আলাদা আলাদা করে সময় ভাগ করে রুটিন তৈরি করতে হবে।আপনি যদি এরকম একটি রুটিন ফলো করে পড়াশোনা করতে পারেন,তাহলে চাকরি পেতে অনেজ সহজ হবে। চাকরি পাওয়ার জন্য রুটিন ফলো করার বিকল্প হয় না।

সিলেবাস সম্পর্কে সঠিক ধারণা:

একজন চাকরির পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই সিলেবাস সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখতে হবে।এবং সেই মোতাবেক প্রস্তুতি নিতে হবে।

Read  চর্যাপদ (সাহিত্যের আদিযুগ) -চাকরির প্রস্তুতি

খোঁজ – খবর রাখা:

চাকরির প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে,তা হল সদ্য চাকুরীতে প্রবেশ করেছে এমন সিনিয়র ভাই – বোনদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে,তাদের থেকে চাকরির ক্ষেত্র, পরিবেশ নিয়েও আলোচনা করা যেতে পারে এবং কোন ধরনের বা পোস্টের চাকরির জন্য কেমন প্রশ্ন হয়। প্রশ্নের ধরণ কেমন হয়।কোন সংস্থা পরীক্ষা নেয় তা যেনে রাখতে হবে।

সাম্প্রতিক বিষয়ে নিয়ে পড়াশোনা করা :

নিয়োগ পরীক্ষার একটি বড় অংশ সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে।বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী থেকে প্রশ্ন এসে থাকে। তাই নিয়মিত কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স, কারেন্ট নিউজ, আজকের বিশ্ব, পত্রিকা এগুলো পড়ার অভ্যাস করতে হবে চাকরির প্রার্থী কে।

 

বিগত বছর গুলোর প্রশ্ন সলভ করা:

পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার শুরুতে বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করতে হবে।তাহলে প্রশ্ন সম্পর্কে একটা সঠিক ধারণা পেয়ে যাবেন।এতে করে প্রস্তুতি নেওয়াটা অনেক বেশি গোছানো হবে এবং আপনার একটি সচ্ছ ধারণা থাকে কোথায় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে এবং সেই সাথে আপনার ল্যাগিংস কোথায় তাও বুঝতে পারবেন।

Read  জাতিসংঘ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর। চাকরির প্রস্তুতি

নিজের উপর আস্থা তৈরি করা:

সাধারণত আমরা অনেক সময় নিজের উপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলি।আমাদের মাথায় ঘুরতে থাকে, আমাকে দিয়ে হবে না,আমার কিছুই হয় না,আমি পারবো না,এই জাতীয় চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে সবার পুর্বে। নিজে উপর আস্থা রেখে সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে। আমাকে দিয়ে ভালো কিছু হবে এই আস্থা নিজের উপর রাখাটা খুবই জরুরি সফলতার জন্য জীবনে।

 

উপরের আলোচনা থেকে একটি বেসিক ধারণা পেয়েছেন কিভাবে  চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি  নিবেন।আশাকরি আপনাদের উপকারে আসবে। সাথে থাকার জন্য আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ।

Leave a Comment

You cannot copy content of this page