ইঞ্জিন ওভারহলিংঃ সংজ্ঞা,প্রকারভেদ,উপসর্গগুলি কি।Fundamentals of Engine Overhauling

ইঞ্জিন ওভারহলিং কি- Definition of Engine Overhauling.

ইঞ্জিন ওভারহলিং: ওভারহলিং হলো একটি পদ্ধতি যা কিনা ইঞ্জিনের আভ্যতরীণ অংশ সমূহ পরিস্কারকরণ,খোলা,পরীক্ষা, পরিবর্তন ও পুনঃসংযোজন করে অকেজো অংশ সমূহকে কার্যোপযোগী করাকে ইঞ্জিন ওভারহলিং বলে।Engine Overhauling

ইঞ্জিন ওভারহলিং এর প্রকারভেদ ( Different Type of Engine Overhauling)

ইঞ্জিন ওভারহলিং তিন প্রকার-

  1.  টপ ওভারহলিং ( Top Overhauling)
  2. মাইনর ওভারহলিং( Minor Overhauling)
  3. মেজর ওভারহলিং ( Major Overhauling)

টপ ওভারহলিং- ইঞ্জিনকে চেচিসে রাখা অবস্থায় শুধুমাত্র ইঞ্জিন টপ তথা সাধারণত সিলিন্ডার হেড বিয়োজন করে কার্বন পরিস্কার, ভালভ ফেস ও সীট মেরামত করে ইঞ্জিনকে কার্যোপযোগী করা কে বুঝায়।

মাইনর ওভারহলিংঃ ইঞ্জিনের অ্যাকসেসরিজ সমূহ যেমন কার্বুরেটর,ফুয়েল পাম্প,ডিস্ট্রিবিউটর,ফুয়েল ফিল্টার,ডায়নামো,স্টার্টিং মোটর ইত্যাদি কে বিয়োজন করে পরিস্কারকরণ,মেরামত,পরীক্ষা-নিরীক্ষা,পুনঃসংযোজন করে কার্যকারিতায় আনায়ন করাকে বুঝায়।

মেজর ওভারহলিংঃ-   ইঞ্জিন কে চেসিস থেকে নামিয়ে এর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ খোলা,পরিস্কারকরণ,মেরামত,পরীক্ষা-নিরীক্ষা,পুনঃসংযোজন করে কার্যকারিতায় আনায়ন করা কে বুঝায়।

 

Read  ইঞ্জিন ক্রাংক শ্যাফট কাকে বলে?

কখন ইঞ্জিন ওভারহলিং করতে হয়? বা ওভারহলিং এর উপসর্গগুলি কি কি।

নিচের উপসগগুলো দেখা দিলে ইঞ্জিন ওভারহলিং করেত হয়-

-সাইলেন্সার পাইপ দিয়ে কালো,নিলাভ অথবা সাদা ধোঁয়া বের হয়।

-ইঞ্জিন হেড ও ব্লকের ফাঁক দিয়ে লিক করলে।

-ইঞ্জিনে খট খট শব্দ হওয়া বা ভালব মেকানিজমের আওয়াজ বেড়ে গেল।

-হেড গ্যাসকেট নস্ট হয়ে গেলে।

-ইঞ্জিনের আরপিএম কমে গেলে।

-ইঞ্জিন হেডে কার্বন জমলে।

-এয়ার ক্লিনার ও ইনটেক মেনেফোল্ড বন্ধ হয়ে বাতাসের পরিমাণ তুলনায় কম প্রবেশ করলে ও অধিক ধোঁয়া বের হলে।

-এগজস্ট মেনিফোল্ড বন্ধ হওয়ার কারণে পোড়া গ্যাস ঠিকমত বের না হলে ও ইঞ্জিন  হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে।

 

টপ ওভারহলিং এর কারণ সমূহ (Causes of Top Overhauling)

-সাইলেন্সার পাইপ দিয়ে কালো নিলাভ অথবা সাদা ধোঁয়া বের হলে।

Read  ভুমিকাঃ মোটরযান বা অটোমোবাইল কি?

-ইঞ্জিন হেড ও ব্লকের ফাঁক দিয়ে লিক করলে।

-ভালভ মেকানিজমের আওয়াজ বেড়ে গেলে।

-ইঞ্জিন হেডে কার্বন জমা এবং টাইমিং এর ক্রটির জন্য আওয়াজ বেড়ে গেলে।

-সিলিন্ডার হেড গ্যাসকেট নস্ট হয়ে গেলে।

-এয়ার ক্লিনার ও ইনটেক মেনেফোল্ড বন্ধ হয়ে বাতাসের পরিমাণ তুলনায় কম প্রবেশ করলে ও অধিক ধোঁয়া বের হলে।

-এগজস্ট মেনিফোল্ড বন্ধ হওয়ার কারণে পোড়া গ্যাস ঠিকমত বের না হলে ও ইঞ্জিন  হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে।

-ইঞ্জিন আরপিএম কমে গেলে।

মেজর ওভারহলিং এর কারণ সমূহ (Causes of Major Overhauling)

মোটরযান ৫০,০০০ থেকে  ১,০০,০০০ কিলোমিটার অথবা ১৫ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত স্বাভাবিক চলার পর যদি নিম্ন লিখিত উপসর্গ দেখা দেয় –

  • ইঞ্জিনের সাইলেন্সার পাইপ দিয়ে কালো,নিলাভ অথবা সাদা ধোঁয়া বের হয়।
  • ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেলে।
  • জ্বালানী খরচ বেড়ে গেলে।
  • লুব অয়েল বেশি খরচ হলে।
  • চালু অবস্থায় ইঞ্জিনে অস্বাভাবিক শদ্ধ হলে।
  • সিলিন্ডার ওয়াল ক্ষয় হয়ে কম্প্রেশন লিক করলে।
  • ইঞ্জিন ওভারহিট হলে।
  • মোটরযান অথবা ইঞ্জিন দুর্গটনা কবলিত হয়ে সম্পূর্ন বা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলে।
Read  চেসিস কাকে বলে?

Leave a Comment

You cannot copy content of this page